
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর খবরে পাকিস্তানের বিভিন্ন স্থানে সহিংস বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে বন্দরনগরী করাচিতে মার্কিন কনস্যুলেট জেনারেলের সামনে হাজারো মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন।
বিক্ষোভের একপর্যায়ে উত্তেজিত জনতা কনস্যুলেট ভবনের বাইরের দেয়াল ভেঙে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে গুলির ঘটনা ঘটে। বার্তাসংস্থা রয়টার্স দুই মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানায়, কনস্যুলেটের নিরাপত্তায় নিয়োজিত মার্কিন মেরিন সদস্যরা গুলি ছোড়েন। তবে ওই গুলিতে কেউ নিহত বা আহত হয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ ঘটনায় অন্য কোনো নিরাপত্তা বাহিনীও গুলি চালিয়েছিল কি না, সেটিও স্পষ্ট নয়।
করাচির বিক্ষোভে অন্তত ১০ জন নিহত ও ৬০ জনের বেশি আহত হন। সিন্ধ প্রাদেশিক সরকারের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ‘নিরাপত্তা বাহিনী’ গুলি চালিয়েছিল, তবে কোন বাহিনী তা নির্দিষ্ট করেননি।
এদিকে, দেশজুড়ে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়েছে। রোববার বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভকারী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংঘর্ষে অন্তত ২৪ জন প্রাণ হারান। পরদিন গিলগিত-বালতিস্তান অঞ্চলের গিলগিত, স্কারদু ও শিগার জেলায় কারফিউ জারি করা হয়। সেখানে সংঘর্ষে আরও বেশ কয়েকজন নিহত ও আহত হন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পাকিস্তান সরকার সেনা মোতায়েন করেছে এবং সংবেদনশীল এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র তাদের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলোর নিরাপত্তা বাড়িয়েছে।










